অমাবস্যার কোটালে নদীর জলের উচ্চতা না বাড়ায় স্বস্তি সুন্দরবনবাসী
দি নিউজ লায়ন; অমাবস্যার কোটালে সুন্দরবনের করতোয়া বিদ্যাধরী, মাতলা,গোমর,হানা সহ বিভিন্ন নদী গুলিতে তেমন ভাবে জোয়ারে জলের উচ্চতা বাড়লো না।ফলে অনেকটা স্বস্তিতে নিশ্বাস ফেললো সুন্দরবনবাসী।গত ২৬ ও ২৭ মে ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের তান্ডবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় সুন্দরবনের বিস্তীর্ণ এলাকা।নদীর বাঁধ ভেঙে সুন্দরবনের ক্যানিং-১ ও ২, বাসন্তী,গোসাবা ব্লকের বিভিন্ন গ্রাম গুলিতে নোনাজল লোকালয়ে ঢুকে প্লাবিত হয়।আর এই নোনা জল ঢুকে ঘরবাড়ি ভেসে যায়।এমনকি কৃষি জমি থেকে শুরু করে মাছের চাষ ক্ষতি হয়।
অসহায় হয়ে পড়ে ইয়াসের তান্ডবে ক্ষতিগ্রস্তরা।জেলা প্রশাসনের তৎপরতায় জরুরি ভিত্তিতে বাঁধ সংস্কারের কাজ চলছে।এমনকি পঞ্চায়েত গুলি ১০০ দিনের কাজে বাঁধে মাটি ফেলছে।এছাড়াও এবারে বাঁধে মাটি ফেলতে এগিয়ে এসেছে স্থানীয় গ্রামবাসীরা।এদিকে অমাবস্যা কোটালে নদীর জলের উচ্চতা না বাড়ায় স্বস্তিতে সুন্দরবনের ক্যানিং মহকুমাবাসী।পাশাপাশি জরুরি ভিত্তিতে চলছে বাঁধ সংস্কারের কাজ।তবে আগামী ২৬ মে ভরা আরও একটা ভরা কোটাল আছ।আর সামনের দিনে এই কোটালের দিকে চাতক পাখির মতন তাকিয়ে আছে সুন্দরবনবাসী।
এ বিষয়ে গোসাবা বিডিও সৌরভ মিত্র জানান অমাবস্যা কোটালে নদীর জলের উচ্চতা না বাড়ায় স্বস্তিতে।এখনও পর্যন্ত নদী বাঁধের কোন সমস্যা দেখা যায়নি।তবে রাতে ও জোয়ার আছে।তাই রাতে বাঁধ চেকিংয়ের কাজ চলবে।পাশাপাশি সরকারি ভাবে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং জরুরী ভিত্তিতে বাঁধ সংস্কারের কাজ চলছে।ক্যানিং পশ্চিম কেন্দ্রের বিধায়ক পরেশ রাম দাস জানান অমাবস্যা কোটালে এখনও পর্যন্ত বাঁধের কোন সমস্যা হয়নি।তবে রাতে জোয়ার আছে এবং আগামী ২৬ মে বড় কোটাল আছে।যার জন্য বিভাগীয় দফতর গুলি এ বিষয়ে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

Post a Comment